জাপেনিয়া
Tablet
Generic Name
Clozapine
Strength
100 mg
Manufacturer
Incepta Pharmaceuticals Ltd.
Unit Price
Unit Price: ৳ 9.00 (3 x 10: ৳ 270.00) Strip Price: ৳ 90.00
🔹 নির্দেশনা
জাপেনিয়া নিম্নোক্ত উপসর্গে নির্দেশিত-
- সিজোফ্রেনিয়া রোগী, যারা অন্যান্য মানসিক রোগ বিরোধী ঔষধে ভাল ফলাফল পায়নি।
- পারকিনসন্স ডিজিজ এ সাইকোসিস।
🔹 ফার্মাকোলজি
ক্লোজাপাইন একটি নতুন ধরনের মানসিকরোগ বিরোধী ঔষধ। এর ডোপামিন সংবেদনশীল রিসেপ্টর বন্ধন এবং ডোপামিন ঘটিত বিভিন্ন ক্রিয়ার উপর প্রভাবের পার্থক্যের জন্যই এটি অন্যান্য মানসিক রোগ বিরোধী ঔষধ হতে আলাদা। এটি ডোপামিনের ডি১, ডি২, ডি৩ এবং ডি৫ রিসেপ্টর বন্ধনে হস্তক্ষেপ করে, কিন্তু ডি৪ রিসেপ্টরের উপর এর তীব্র আকর্ষন রয়েছে। এটি প্রান্তে অবস্থিত ডোপামিনার্জিক রিসেপ্টরের উপর বেশি প্রতিক্রিয়াশীল। তাই ক্লোজাপাইন এক্সট্রাপাইরামিডাল পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নাই বললেই চলে। ক্লোজাপাইনের এ্যাডরেনার্জিক বিরোধী, কোলিন বিরোধী, হিস্টামিন বিরোধী এবং সেরোটোনিন বিরোধী প্রতিক্রিয়া আছে।
🔹 মাত্রা ও ব্যবহারবিধি
সিজোফ্রেনিয়া: ১৬ বৎসরের উর্দ্ধে পূর্ণবয়স্ক-
- ১ম দিন ১২.৫ মি.গ্রা. দিনে একবার অথবা দুইবার করে (বয়স্কদের জন্য ১২.৫ মি.গ্রা. দিনে একবার করে)
- ২য় দিন ২৫-৫০ মি.গ্রা. (বয়স্কদের জন্য ২৫ মি.গ্রা. দিনে একবার) অতঃপর পর্যায়ক্রমে (যদি সহনীয় হয়) ২৫-৫০ মি. গ্রা. দৈনিক ১৪-২১ দিন পর্যন্ত বাড়িয়ে ৩০০ মি.গ্রা. ভাগে ভাগে দিতে হবে (বড় ডোজ রাতে গ্রহণ করতে হবে ২০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত একবারে ঘুমানোর আগে গ্রহণ করা যাবে)।
- যদি প্রয়োজন হয় তবে পর্যায়ক্রমে আরও ৫০-১০০ মি.গ্রা. একবার (অধিকতর শ্রেয়) বা দুইবার করে সপ্তাহে বাড়ানো যাবে। স্বাভাবিক ডোজ ২০০-৪৫০ মি.গ্রা. দৈনিক (সর্বোচ্চ ডোজ ৯০০ মি.গ্রা. দৈনিক)।
- ঘুমানোর সময় ১২.৫ মি.গ্রা. অতঃপর প্রতিক্রিয়ার উপর নির্ভর করে ১২.৫ মিগ্রা, সাপ্তাহিক ২ বার করে বাড়ানো যাবে।
- স্বাভাবিক ডোজ ২৫-৩৭.৫ মি.গ্রা. (ঘুমানোর সময়) সর্বোচ্চ ডোজ ৫০ মি.গ্রা. দৈনিক।
- ব্যতিক্রমে ১২.৫ মি.গ্রা. সাপ্তাহিক থেকে সর্বোচ্চ ১০০ মি.গ্রা. দৈনিক ১-২ ভাগে ভাগ করে ধীরে ধীরে গ্রহণ করতে হবে।
🔹 মিথস্ক্রিয়া
একত্রে ব্যবহারে মাইলোসাপ্রেসেন্ট মাইলোসাপ্রেশন ঘটাতে পারে। জাপেনিয়া CNS ড্রাগ বা এলাকোহলের সাথে প্রতিক্রিয়া করতে পারে। বেনজোডায়াজিপাইন বা অন্যান্য সাইকোট্রপিক্স ব্যবহারে অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন হতে পারে। জাপেনিয়া বিভিন্ন প্রোটিন বাইন্ড ওষুধকে সরিয়ে দিতে পারে (যেমন: ওয়ারফেরিন, ডিজক্সিন)। সিমেটিডিন জাপেনিয়াের প্লাজমা লেভেল কমিয়ে দেয়।
কার্বামাজেপাইন এবং জাপেনিয়া একত্রে ব্যবহার না করাই শ্রেয়। জাপেনিয়া ও বার্বামাজেপাইন একত্রে গ্রহণ বন্ধ করলে জাপেনিয়াের প্লাজমা লেভেল বেড়ে যায়। ফভক্সামিন, প্যারোক্সজেটিন এবং সারট্রালিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে জাপেনিয়া কম ডোজে ব্যবহার করতে হবে। হাইপোটেন্সিভ ঔষধের কার্যকারিতা বেড়ে যেতে পারে। অন্যান্য কলিনার্জিক ওষুধের কার্যকারিতা বাড়ায়। জাপেনিয়া ব্যবহারের সময় এড্রেনালিন ব্যবহার হতে বিরত থাকতে হবে কারণ আলফা এড্রেনার্জিক ব্লকেইডের মাধ্যমে এটি এড্রেনালিনের বিপরীত কার্যসাধন করে থাকে। জাপেনিয়াের সাথে একত্রে ব্যবহারে যে সকল ওষুধ সাইটোক্রোম পি-৪৫০ ২ডি৬ দ্বারা মেটানোলাইজড হয় (যেমন ফেনোথায়াজিন্স, এন্টিডিপ্রেসেন্টস, প্রপাফেনন, ফ্রেকেনাইড এবং এনফেনাইড) বা যে সকল ওষুধ এই এনজাইম রোধ করে সেই ক্ষেত্রে এই সকল ওষুধের ডোজ যা জাপেনিয়াের ডোজ কমিয়ে দিতে হবে।
কার্বামাজেপাইন এবং জাপেনিয়া একত্রে ব্যবহার না করাই শ্রেয়। জাপেনিয়া ও বার্বামাজেপাইন একত্রে গ্রহণ বন্ধ করলে জাপেনিয়াের প্লাজমা লেভেল বেড়ে যায়। ফভক্সামিন, প্যারোক্সজেটিন এবং সারট্রালিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে জাপেনিয়া কম ডোজে ব্যবহার করতে হবে। হাইপোটেন্সিভ ঔষধের কার্যকারিতা বেড়ে যেতে পারে। অন্যান্য কলিনার্জিক ওষুধের কার্যকারিতা বাড়ায়। জাপেনিয়া ব্যবহারের সময় এড্রেনালিন ব্যবহার হতে বিরত থাকতে হবে কারণ আলফা এড্রেনার্জিক ব্লকেইডের মাধ্যমে এটি এড্রেনালিনের বিপরীত কার্যসাধন করে থাকে। জাপেনিয়াের সাথে একত্রে ব্যবহারে যে সকল ওষুধ সাইটোক্রোম পি-৪৫০ ২ডি৬ দ্বারা মেটানোলাইজড হয় (যেমন ফেনোথায়াজিন্স, এন্টিডিপ্রেসেন্টস, প্রপাফেনন, ফ্রেকেনাইড এবং এনফেনাইড) বা যে সকল ওষুধ এই এনজাইম রোধ করে সেই ক্ষেত্রে এই সকল ওষুধের ডোজ যা জাপেনিয়াের ডোজ কমিয়ে দিতে হবে।
🔹 প্রতিনির্দেশনা
মারাত্মক কার্ডিয়াক ডিস্অর্ডার (যেমন: মায়োকার্ডাইটিস), রেনাল ইমপেয়ারমেন্ট (বর্জন করতে হবে যদি ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ১০ মি.লি./মিনিট থেকে কম হয়)। নিউট্রোপেনিয়া অথবা এগ্রানুলোসাইটোসিস, বোনমেরো ডিসঅর্ডার, প্যারালাইটিক ইলিয়াস, এলকোহল এবং টক্সিক সাইকোসিস, সারকুলেটরী কলাপ্স, ওষুধ বিষক্রিয়া, কোমা অথবা মারাত্মক স্নায়ুসংক্রান্ত বিশৃঙ্খলা, আনকন্ট্রলড ডিজঅর্ডার, স্তন্যদান।
🔹 পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
কোষ্ঠকাঠিন্য, মাথা ঝিম ঝিম ভাব, ঘুম ঘুম ভাব, মাথা ব্যাথা, লালা নিঃসরন, বমি বমি ভাব, অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি, উদর সংক্রান্ত অস্বস্তি বা বুক জ্বালা ভাব, লালা শুকিয়ে যাওয়া।
🔹 গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভবর্তী মায়েদের ক্লোজাপাইন ব্যবহারে সুনির্দিষ্ট কোন স্টাডি নেই। প্রাণীদের উপর স্টাডি করে ভ্রূনের উপর এর কোন ক্ষতিকর প্রভাব পাওয়া যায় নাই। যদি ডাক্তার প্রয়োজনীয়তা মনে করেন তবে গর্ভাবস্থায় ক্লোজাপাইন দেয়া যেতে পারে। প্রাণীদের উপর স্টাডিতে দেখা গিয়েছে ক্লোজাপাইন মায়ের দুধ দিয়ে নিঃসরন হয়। তাই মায়েদের ক্লোজাপাইন গ্রহণাবস্থায় শিশুদের স্তন্যদান হতে বিরত থাকতে হবে।
🔹 সতর্কতা
ঔষধ হঠাৎ করে বন্ধ করা যাবে না। ১-২ সপ্তাহ ধরে ধীরে ধীরে বন্ধ করতে হবে। যদি হঠাৎ করে বন্ধ করতে হয় (লিউকোপেনিয়া, মায়োকার্ডাইটিস, কার্ডিওমায়োপ্যাথি) তাহলে সেই রোগীদেরকে মনিটর করতে হবে যেন তাদের সাইকোসিস এবং কলিনার্জিক রিবাউন্ড না হয় (মাথা ব্যথা, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া) বয়স্ক রোগীদের সাধারণত ক্ষতিকর প্রভাব বেশী হয়ে থাকে (যেমন-এগ্রানুলোসাইটিস, কার্ডিওভাসকুলার, এন্টিকলিনার্জিক এবং টার্ডাইভ ডিসকাইনেসিয়া)। এগ্রানুলোসাইটোসিস হবার সম্ভাবনা থাকে যা কিনা জীবনের জন্য ক্ষতিকর। চিকিৎসার ১ম ৬ মাস সাপ্তাহিক ভাবে WBC পরীক্ষা করতে হবে। যদি WBC গণনা ঠিক থাকে তাহলে পরবর্তী সপ্তাহে পুনরায় পরীক্ষা করতে হবে। ওষুধ ছাড়ার পর ৪ সপ্তাহ ধরে WBC গণনা সাপ্তাহিক ভাবে করতে হবে। যেসকল রোগী বোনমেরো সাপ্রেসিভ ঔষুধ গ্রহন করেন সে সকল রোগীর প্রতি যত্নবান হতে হবে। জাপেনিয়া গ্রহনের কারনে ইউসিনোফিলিয়া হতে পারে, এর জন্য সামরিক ভাবে বা সম্পূর্ণরূপে ওষুধ গ্রহণ বন্ধ করতে হতে পারে।
জাপেনিয়া ব্যবহারের ফলে কগনিটিভ ও মোটর ইমপেয়ারমেন্ট হতে পারে যার ফলে কর্মস্থল সংক্রান্ত সাবধানতায় ব্যঘাত ঘটতে পারে (মেশিন বা যানবাহন চালানো)। কাপুনির ঝুঁকি আছে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে জাপেনিয়া ব্যবহারে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। ব্যবহারে বিনাইন ও সেলফটাইমিং জ্বর হতে পারে। জাপেনিয়া ব্যবহারে মারাত্মক ফেব্রাইল রিঅ্যাকশন হতে পারে যেমন নিউরোলেপ্টিক ম্যালিগন্যান্ট সিনড্রোম।
এন্টিকোলিনার্জিক ইফেক্ট হতে পারে। সেই সকল রোগীদের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে যাদের ইউরিনারি রিটেনশন, বিনাইন প্রস্টেটিক হাইপার প্লাসিয়া, ন্যারো এনগেল গ্লুকোমা, জেরোসটোমা, দৃষ্টিঘটিত সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য অথবা বাউয়েল অবসট্রাকশন রয়েছে। হাইপারগ্লাইসেমিয়া, কিছু ক্ষেত্রে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে এবং এর ফলে কিটোএসিডোসিস, হাপারঅসমোলার কোমা অথবা মৃত্যুও হতে পারে। ডায়াবেটিক রোগী এবং যাদের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রন ঘটিত সমস্যা রয়েছে তাদের সতর্কতা অবলম্বন করাতে হবে। হেপাটিক ডিজিজ বা ইমপেয়ারমেন্ট এর ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন এবং ট্যাকিকার্ডিয়া ঘটাতে পারে। সাইকোটপিক্স ও বেনজোডায়াজেপাইন এর সাথে একত্রে ব্যবহারে মারাত্মক কার্ডিওপালমোনারী বিক্রিয়া হতে পারে।
জাপেনিয়া ব্যবহারে মায়োকার্ডাইটিস, পেরিকার্ডাইটিস, পেরিকার্ডিয়াল ইফিউশন, কার্ডিওমায়োপ্যাথি এবং সি.এস.এফ. হতে পারে। ১ম মাস ব্যবহার সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ, পরবর্তী মাসগুলোতেও ঝুঁকি বিদ্যামান। ১ম মাস ব্যবহারে ট্যাকিকার্ডিয়ার রোগীদের মায়োকার্ডাইটিস লক্ষণ মনিটর করতে হবে। মায়োকার্ডাইটিস হবার আশস্কা থাকলে জাপেনিয়া ব্যবহার বন্ধ করে দিতে হবে। জাপেনিয়া সংক্রান্ত মায়োকার্ডাইটিস রোগীদের পূর্ণব্যবহার হতে বিরত থাকতে হবে। যদি লাভজনক দিকগুলো ক্ষতিকর দিক হতে বেশী হয় তবে নিশ্চিত কার্ডিওমায়োপ্যাথি রোগীদের জাপেনিয়া ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। খুব কদাচিৎ কেইসে যেমন পালমোনারী এমবলিসম এবং স্ট্রোক যা কিনা মারাত্মক ক্ষতিকর সেই সকল ক্ষেত্রে জাপেনিয়া ব্যবহার হতে বিরত থাকতে হবে।
জাপেনিয়া ব্যবহারের ফলে কগনিটিভ ও মোটর ইমপেয়ারমেন্ট হতে পারে যার ফলে কর্মস্থল সংক্রান্ত সাবধানতায় ব্যঘাত ঘটতে পারে (মেশিন বা যানবাহন চালানো)। কাপুনির ঝুঁকি আছে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে জাপেনিয়া ব্যবহারে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। ব্যবহারে বিনাইন ও সেলফটাইমিং জ্বর হতে পারে। জাপেনিয়া ব্যবহারে মারাত্মক ফেব্রাইল রিঅ্যাকশন হতে পারে যেমন নিউরোলেপ্টিক ম্যালিগন্যান্ট সিনড্রোম।
এন্টিকোলিনার্জিক ইফেক্ট হতে পারে। সেই সকল রোগীদের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে যাদের ইউরিনারি রিটেনশন, বিনাইন প্রস্টেটিক হাইপার প্লাসিয়া, ন্যারো এনগেল গ্লুকোমা, জেরোসটোমা, দৃষ্টিঘটিত সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য অথবা বাউয়েল অবসট্রাকশন রয়েছে। হাইপারগ্লাইসেমিয়া, কিছু ক্ষেত্রে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে এবং এর ফলে কিটোএসিডোসিস, হাপারঅসমোলার কোমা অথবা মৃত্যুও হতে পারে। ডায়াবেটিক রোগী এবং যাদের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রন ঘটিত সমস্যা রয়েছে তাদের সতর্কতা অবলম্বন করাতে হবে। হেপাটিক ডিজিজ বা ইমপেয়ারমেন্ট এর ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন এবং ট্যাকিকার্ডিয়া ঘটাতে পারে। সাইকোটপিক্স ও বেনজোডায়াজেপাইন এর সাথে একত্রে ব্যবহারে মারাত্মক কার্ডিওপালমোনারী বিক্রিয়া হতে পারে।
জাপেনিয়া ব্যবহারে মায়োকার্ডাইটিস, পেরিকার্ডাইটিস, পেরিকার্ডিয়াল ইফিউশন, কার্ডিওমায়োপ্যাথি এবং সি.এস.এফ. হতে পারে। ১ম মাস ব্যবহার সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ, পরবর্তী মাসগুলোতেও ঝুঁকি বিদ্যামান। ১ম মাস ব্যবহারে ট্যাকিকার্ডিয়ার রোগীদের মায়োকার্ডাইটিস লক্ষণ মনিটর করতে হবে। মায়োকার্ডাইটিস হবার আশস্কা থাকলে জাপেনিয়া ব্যবহার বন্ধ করে দিতে হবে। জাপেনিয়া সংক্রান্ত মায়োকার্ডাইটিস রোগীদের পূর্ণব্যবহার হতে বিরত থাকতে হবে। যদি লাভজনক দিকগুলো ক্ষতিকর দিক হতে বেশী হয় তবে নিশ্চিত কার্ডিওমায়োপ্যাথি রোগীদের জাপেনিয়া ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। খুব কদাচিৎ কেইসে যেমন পালমোনারী এমবলিসম এবং স্ট্রোক যা কিনা মারাত্মক ক্ষতিকর সেই সকল ক্ষেত্রে জাপেনিয়া ব্যবহার হতে বিরত থাকতে হবে।
🔹 সংরক্ষণ
৩০°সে. এর উপরে সংরক্ষণ করা হতে বিরত থাকুন। আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
🔍 লোকজন আরও খুঁজছেন
💡 Frequently Asked Questions
জাপেনিয়া নিম্নোক্ত উপসর্গে নির্দেশিত-
সিজোফ্রেনিয়া রোগী, যারা অন্যান্য মানসিক রোগ বিরোধী ঔষধে ভাল ফলাফল পায়নি।
পারকিনসন্স ডিজিজ এ সাইকোসিস।
সিজোফ্রেনিয়া: ১৬ বৎসরের উর্দ্ধে পূর্ণবয়স্ক-
১ম দিন ১২.৫ মি.গ্রা. দিনে একবার অথবা দুইবার করে (বয়স্কদের জন্য ১২.৫ মি.গ্রা. দিনে একবার করে)
২য় দিন ২৫-৫০ মি.গ্রা. (বয়স্কদের জন্য ২৫ মি.গ্রা. দিনে একবার) অতঃপর পর্যায়ক্রমে (যদি সহনীয় হয়) ২৫-৫০ ম...
কোষ্ঠকাঠিন্য, মাথা ঝিম ঝিম ভাব, ঘুম ঘুম ভাব, মাথা ব্যাথা, লালা নিঃসরন, বমি বমি ভাব, অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি, উদর সংক্রান্ত অস্বস্তি বা বুক জ্বালা ভাব, লালা শুকিয়ে যাওয়া।
User Reviews
⭐
No reviews yet!
Be the first to share your experience.